সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

শিক্ষনীয় গল্প

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিঁপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত। সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত। ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে। কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত। তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত। কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র রাখবে। সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে ...

মরােক্কা থেকে মক্কা

সত্য ঘটনা অবলম্বনে হেদায়েতের গল্প, লায়লা আলী হেল্যূ। মরােক্কোর এক বােন । তার ব্রেষ্ট ক্যান্সার হয়েছিল । বিজ্ঞ ডাক্তারগণ তার বেঁচে থাকার আশা একদম ছেড়েই দিয়েছিলেন । ইউরােপের । সেরা সেরা ট্রিটমেন্ট দেয়া হয়েছিল । কিন্তু ফলাফল শূন্য । তার আর কোন সম্ভাবনাই ছিল না বেঁচে থাকার । এমনকি লায়লা নিজেও সব আশা হারিয়ে ফেলেছিল । কিন্তু সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন । বােন লায়লার সে অলৌকিক ঘটনা তার মুখ থেকেই শােনা যাক ইন শা আল্লাহ – “ নয় বছর আগের ঘটনা । আমার ব্রেস্ট ক্যান্সার ধরা পরে । সবাই জানে। “ ক্যান্সার ” শব্দটা কতটুকু ভীতিকর । আল্লাহর উপর ঈমান খুবই দুর্বল ছিল আমার। আমি আল্লাহর স্মরণ থেকে সম্পূর্ণরূপে দূরে সরে গিয়েছিলাম । আর ভাবতাম আমার এই সৌন্দর্য ও সুস্বাস্থ্য সারা জীবন অটুট থাকবে । আমি কখনই ভাবিনি , ক্যান্সারের মতাে মরণব্যাধি আমার শরীরে বাসা বাঁধবে । আমি যখন আমার রােগের ব্যাপারে জানতে পারি তখন খুব করে এটা থেকে মুক্তি পেতে চাচ্ছিলাম । পালাবার পথ খুঁজতাম । বাঁচতে চাইতাম । কিন্তু সে পথ কোথায় ? পৃথিবীর কোন প্রান্তে যাব আমি , এই মরণব্যাধি থেকে কীভাবে মুক্তি পাব ? একবার আত...

শরীরে আগুন লাগলে যা করা জরুরি

দুর্ঘটনা যেকোনো সময়ই ঘটতে পারে। কিন্তু দুর্ঘটনা পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দেয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যাতে রক্ষা করা যায় জানমাল। বিশেষ করে আগুনজনিত দুর্ঘটনা বয়ে আনতে পারে বড় বিপর্যয়। কিন্তু কিছু বিষয় জানা থাকলে পরিস্থিতি সামাল দেয়াটা অনেক সহজ হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেয়া তথ্যমতে, বড়দের ক্ষেত্রে শরীরের ১৫ শতাংশ এবং শিশুদের ক্ষেত্রে যদি শরীরের ১০ শতাংশ পুড়ে যায় তাহলে তা ঝুঁকিপূর্ণ বলে ধরা হয়। তবে খুব কম বয়সী শিশু বা নবজাতক এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই পরিমাপ সব সময় খাটে না। এসব এক্ষেত্রে ১০ কিংবা ১৫ ভাগের চেয়ে কম পুড়ে গেলেও অনেক সময় তা প্রাণঘাতী হতে পারে। পোড়া অংশের পরিমাণ যত বেশি হবে মৃত্যুর আশঙ্কা তত বেড়ে যাবে। এছাড়া এটা বয়সের সাথে সম্পর্কযুক্ত। অর্থাৎ বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে কম পরিমাণ পোড়াও প্রাণহানির কারণ হতে পারে। শেখ হাসিনা ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি'র সহকারী অধ্যাপক ডা. শারমিন আক্তার সুমি বলেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশের কম পোড়াটাও বিপদজনক। যখন পোড়াটা অনেক গভীর হয়, রোগী যখন অনেক বেশি বয়স্ক থাকে কিংবা খুব কম বয়সী থাকে, রোগীর যদি অন্...